1. admin@ongonbarta.com : anandapatha.com :
  2. ongontv@gmail.com : Sofikul Islam : Sofikul Islam
মহামান্য আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে সালথা নগরকান্দা আওয়ামীলীগের বিপ্লবী নেতা সাবেক চেয়ারম্যান ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া) মুক্তি - অঙ্গন বার্তা
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

মহামান্য আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে সালথা নগরকান্দা আওয়ামীলীগের বিপ্লবী নেতা সাবেক চেয়ারম্যান ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া) মুক্তি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ মে, ২০২১
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

মো: মিরাজ মোল্যা সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

প্রকাশিত,১২ মে ২০২১,

আওয়ামীলীগের বিপ্লবী নেতা বারবার ইউপি নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান জনাব ইমামুল হোসেন তার মিয়া মিথ্যা ষড়যন্ত্র মামলায় দীর্ঘ ৯ বছর কারাভোগের পর মুক্তি। ফরিদপুরের এক সময়ের কুক্ষাত আলোচিত সন্ত্রাসী মানুষকে জিম্মি করে ভয় দেখিয়ে ফরিদপুর শহরের সন্ত্রাসী গুরুপ এনে কেন্দ্র দখল করে সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হওয়া মলয় বোস হত্যা মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে অবশেষে মুক্তি পেলেন আজ ১২মে ২০২১ ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া)। তিনি উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত নগরকান্দা-সালথা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি , সে উপজেলার সিংহপ্রতাপ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

জানা যায়, জনাব ইমামুল হোসেন (তার মিয়া) কে ফরিদপুরের এক সময়ের কুক্ষাত আলোচিত সন্ত্রাসী মানুষকে জিম্মি করে ভয় দেখিয়ে ফরিদপুর শহরের সন্ত্রাসী গুরুপ এনে কেন্দ্র দখল করে সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হওয়া মলয় বোস হত্যা মামলায় আসামী করা হয়। দীর্ঘ ৯ বছর কারাভোগের পর তিনি মহামান্য আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণিত হয়। আজ ১২ মে কেন্দ্রীয় কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ায় এলাকাবাসির আনন্দ উল্লাসে ভেসে উঠেছে।

আওয়ামীলীগের বিপ্লবী নেতা চেয়ারম্যান জনাব ইমামুল হোসেন তার মিয়া মুক্তি পাওয়ার পর মাননীয় সংসদ উপনেতা মহোদয়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধি জননেতা শাহাদাব আকবর লাবু চৌধুরী সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন এবং বুকে বুক মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলার স্বনামধন্য চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বার, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মহোদয়ের এপিএস জনাব শফি উদ্দিন প্রমূখ।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক সন্ত্রাসী আলোচিত,চেয়ারম্যান মলয় বোসকে (৪৫) প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মলয় বোস আটঘর ইউনিয়নের সলিয়া গ্রামের মৃত মনিন্দ্রনাথ বোসের ছেলে। এ হত্যা মামলায় সাবেক গট্টি ইউপি চেয়ারম্যান ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া) ও তার প্রতিদ্বন্দী বকুল মিয়া, হাসেম মোল্লা,মোসারেফ মোল্লাসহ প্রায় ৩০ জনকে আসামী করা হয়। জানা যায়, ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি জরুরী কাজ শেষ করে মলয় বোস মোটরসাইকেল নিয়ে ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে, সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের রণকাইল এলাকায় পৌঁছালে ৫ থেকে ৬ জনের মুখস পড়া একদল দুর্বৃত্ত রাস্তার উপর নছিমন রেখে তার গতিরোধ করে।মোটরসাইকেল থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি মাথায় আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই চেয়ারম্যান মারা যান। মোটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহী সোহাগক খান পালিয়ে যায়। দুর্বৃত্তরা চেয়ারম্যান কে হত্যা করে নসিমন নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঐ সময় পাশের বাড়ির এক মহিলা দেখে ছিল।ঘটনা স্থলে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলেও পরে তাকে সাক্ষীতে রাখা হয়নি। হত্যার দুই দিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি মলয় বোস এর স্ত্রী ববিতা বোস বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। ঐ মামলায় সাক্ষী মানা হয় সন্ত্রাসী মালয় বোসের অনুসারীদেরকে। যাদের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে ৪/৫ কিলোমিটার দূরে। ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকার কাউকে সাক্ষী মানা হয়নি। তাদের সাক্ষী মানলে যাদের নামে মামলা দেয়া হয়েছে তারা আসামি হয় না শুধু এই কারণে তাদেরকে সাক্ষী মানা হয়নি।

ওই মামলার সাক্ষী ওহিদ মোল্লা বলেন, আমি ওই সময়ে ক্ষমতাসীনদের চাপে পড়ে এবং ভয়ে পড়ে সাক্ষী দিয়েছিলাম। আমি আসলে সাবেক চেয়ারম্যান মলয় বোসকে হত্যা করা দেখিনি। আমাকে উকিল দ্বারা যা শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল তাই বলেছি। আমার মত এরকম অনেকেই সাক্ষী দিয়েছে।

এই মামলায় আরও নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন বকুল মিয়া, হাসেম মোল্লা, মোসারেফ মোল্লা, হাতেম মোল্লা,নসরু খান,সোহেল মিয়াসহ আরও কয়েকজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত অঙ্গন বার্তা ডট কম Developed by : kamalmostakin